শারীরিক শিবার ক্লাসে জনাব আশরাফুল একটি বিশেষ বিষয়ের উপর আলোচনা করছিলেন। উক্ত বিষয়টি আমাদের সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনের ৰেত্রে অত্যন্ত গুরবত্বপূর্ণ। তিনি বললেন, 'সামগ্রিক সৰমতার বিভিন্ন দিকের মধ্যে সর্বাপেৰা বাস্তব, প্রয়োজনীয় এবং প্রাথমিক দিক হলো শারীরিক সৰমতা।'
জনাব আশরাফুলের আলোচিত বিষয়টি হলো শারীরিক সৰমতা। এটি ব্যক্তির সামর্থ্যের একটি সামগ্রিক ধারণা। এই সামাজিক ধারণাটি ব্যাখ্যা করার জন্য AAHPER এর পৰ থেকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
১. বংশগতি অনুযায়ী শারীরিক স্বাস্থ্য।
২. দৈনন্দিন জীবনযাপন এবং বিপদকালীন অবস্থার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি, দম, সমন্বয় ৰমতা ও কৌশল।
৩. প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় কাজকর্মের প্রতি যথাযথ মনোযোগ ও মূল্যায়ন।
৪. আধুনিক জীবনযাত্রার জটিলতা থেকে চাপমুক্ত হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় আবেগিক সাম্য।
৫. দলের সাথে মানিয়ে নেওয়ার ৰমতা এবং সমাজ জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সামাজিক চেতনা।
৬. চলার পথে উদ্ভূত সমস্যাবলির সুষ্ঠু সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান বৃদ্ধি ও বিশেরষণ করার ৰমতা।
৭. গণতান্ত্রিক দেশের দায়িত্বশীল নাগরিকের কর্তব্য পালনের জন্য আবশ্যিক নৈতিকতা ও চারিত্রিক দৃঢ়তা।
শারীরিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্যই হলো শারীরিক সক্ষমতা অর্জন করা। তাই শারীরিক সক্ষমতার বৈশিষ্ট্য, খেলাধুলার সাথে এর সম্পর্ক, শারীরিক সক্ষমতার মূল্যায়ন ইত্যাদি সম্পর্কে শারীরিক শিক্ষার শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। ব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা কীভাবে অর্জন করা যায়, লিঙ্গভেদে ব্যায়ামের ধরন ইত্যাদি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বাস্তব ধারণা লাভ করতে পারবে। শারীরিক সক্ষমতা অর্জনে শক্তি, দম, গতি, ক্ষিপ্রতা ও নমনীয়তার গুরুত্ব এবং কোন খেলায় কোনটির ভূমিকা বেশি তা জানতে পারবে। শারীরিক সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সুস্থ ও সুশৃঙ্খল জীবন যাপনে সক্ষম হবে ।
এ অধ্যায় শেষে আমরা-
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?